খাগড়াছড়ি’র দীঘিনালায় হঠাৎ শিলা বৃষ্টিতে ফসলে ব্যাপক ক্ষতি

0

khagrachari
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি ঃ খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার দীঘিনালা উপজেলায় কাল বৈশাখী ঝড়ে বৃষ্টির সাথে হঠাৎ প্রচুর শিলা বর্ষনে ফসলের ব্যপক ÿতি হয়েছে। সোমবার পর্যন্ত কোন পর্যাপ্ত সাহায্য পায়নি। এ ছাড়া দীঘিনালায় ছাউনিবিহীন ঘরে চলছে পাঠদানের ব্যবস্থা। কালবৈশাখীতে উড়ে যায় খাগড়াছড়ির দীঘিনালার ১নম্বর কবাখালী সরকারি প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়ের টিনশেড ঘরের ছাউনি । গত বৃহস্পতিবার রাতে কাল বৈশাখী ঝড়ে অনেক ঘরবাড়ি, স্কুল, মাদ্রাসা, লন্ডভন্ড হয়ে যায়।
দীঘিনালা উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে কৃষি ফসলের ব্যাপক ÿতি হয়েছে। তারমধ্যে উলেøখ্যযোগ্য হল তামাক, মৌসুমী শাক সবজি। দীঘিনালা উপজেলা কৃষকরা প্রচুর তামাক চাষ করে। হঠাৎ প্রচুর পরিমান শিলা বৃষ্টিতে তামাক গাছের পাতা ছিদ্র হয়ে গেছে এবং পাতা ছিরে মাটিতে পড়ে গেছে এতে পাতার গুনগত মান ও ওজনও কমে যাবে। অনেক তামাক চাষিরা মনে করছে এতে কৃষকের উৎপাদন খরচ উঠবে না। অপর দিকে মৌসুমী শাক-সবজির ও শিলা বৃষ্টিতে ব্যাপক ÿতি হয়েছে। এতে করে এলাকায় শাক-সবজির দাম বেড়ে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।
কর্তৃপক্ষের সূত্রে জানা যায়, গত ২এপ্রিল পর থেকে ছাউনিবিহীন ঘরেই চলছে দু’টি শ্রেনীর পাঠদান ব্যবস্থা । বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা থেকে সপ্তম শ্রেনি পর্যন্ত মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪৬৯জন ।
সরেজমিনে দেখা যায়, ছাউনিবিহীন দু’টি কক্ষে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেনীর শিক্ষার্থীদের পাঠদান চলছে । বর্ষায় গুড়ি গুড়ি ফোটা বৃষ্টি শুরু হলে কিছুক্ষণের জন্য পাঠদান বন্ধ রাখতে হয় । বৃষ্টি বন্ধ হলে আবার পাঠদান শুরু করতে হয় । বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেনীর শিক্ষার্থী আল-অমিন ও সুমাইয়া আক্তার, প্রজিতা চাকমা এবং ষষ্ঠ শ্রেনীর শিক্ষার্থী রেনিও চাকমা, নূর নাহার আক্তার ও মোঃ ইউসুফরা জানান, রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তাদের ক্লাস করতে হচ্ছে ।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ বদিউজ্জামান বলেন, ৬এপ্রিল জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান বিদ্যালয় পরিদর্শন করে দ্রুত সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছেন ।
এ বিষয়ে দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলুল জাহিদ বলেন, স্কুল ক্ষতিগ্রস্থ অনুকূলে পর্যাপ্ত বরাদ্ধ পেলে বিদ্যালয় সংস্কার খুব দ্রুত ভাবে করা হবে ।

Share.

About Author

Leave A Reply