পলাশবাড়ীতে উপজেলা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগ

0

আবু হানিফ মো: বায়েজীদ গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: পলাশবাড়ীতে রংপুর বিভাগ উন্নয়ন প্রকল্পের মহিলা শ্রমিকদের নিকট শ্রমিকদের নিকট হতে উপজেলা প্রকৌশলীর ঘুষ দাবীর অভিযোগে উপজেলা নিবার্হী কর্র্মকর্তা ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বরাবরে লিখিত অভিযোগ দাখিল হয়েছে।
প্রাপ্ত অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার বেতকাপা ইউনিয়নের রংপুর বিভাগ উন্নয়ন প্রকল্পের ৯ জন মহিলা শ্রমিক ২০১৫ সালের অক্টোবর মাস থেকে নিয়োগ প্রাপ্ত হয়। কাজ চলাকালীন গত ১২ জানুয়ারী উপজেলা প্রকৌশলী এলজিইডি অফিসের কতিপয় কর্মচারীর মাধ্যমে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করে অফিসে বসে শ্রমিকদের ২ মাসের বেতন দেন। বেতনের টাকা দেওয়ার পূর্বে প্রতি শ্রমিকদের নিকট হতে ১৫শ টাকা করে উপজেলা প্রকৌশলী উৎকোচ দাবী করে। এসময় শ্রমিকরা দাবীকৃত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে প্রকৌশলী আব্দুল মান্নাফ মোবাইল ফোনে তার সহকর্মী মাসুদ মিয়ার মাধ্যমে পুনরায় এ ঘুষের টাকা দিতে চাপ সৃষ্টি করে। দাবীকৃত টাকা না দিলে শ্রমিকদের চাকুরী চ্যুতির হুমকি প্রদান করে। প্রকৌশলী তার এ দাবীকৃত টাকা কয়েকটি ইউনিয়নের শ্রমিকদের নিকট থেকে আদায় করতে না পারায় পলাশবাড়ী ইউনিয়নের শ্রমিকদের মহদীপুর ও বরিশাল ইউনিয়নে এবং বেতকাপা ইউনয়নের শ্রমিকদের বরিশাল ইউনিয়নে শাস্তিমূলক বদলী করেন। এছাড়া শ্রমিকরা কর্মরত থাকা অবস্থায়ও হাজিরা খাতায় লাল কালিতে অনুপুস্থিত দেখিয়ে তাদের হয়রানী করা হচ্ছে। পরবর্তীতে দাবীকৃত টাকা না পাওয়ায় বেতকাপা ইউনিয়নের মহিলা শ্রমিকদের হাজিরা খাতা নিয়ে উপজেলা প্রকৌশলী নিজের কব্জায় রাখেন। এ ব্যাপারে গত বৃহস্পতিবার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের শ্রমিকরা মহদীপুর বোর্ডের বাজারে রাস্তা অবরোধ করে কতিপয় সরকার দলীয় নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকদের নিকট প্রকৌশলী মান্নাফ ও সহকারী মাসুদ মিয়া নানা দূর্নীতির অভিযোগ তুলে ধরেন। তারা এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট বিভাগের উচ্চ পর্যায়ের উর্ধতন কর্মকর্তার জরুরী হস্তপে কামনা করেন। বিষয়টি নিয়ে পলাশবাড়ীর সাংবাদিকরা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে কথা বললে তিনি অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করেন।

পলাশবাড়ীতে ৪ সন্তানের জনক ৩ সন্তানের জননীকে নিয়ে উধাও, থানায় জিডি
গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে পরকীয় প্রেমে পড়ে ৪ সন্তানের জনক ৩ সন্তানের জননীকে নিয়ে মোটা অংকের টাকাসহ উধাও হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত রোববার সন্ধ্যায়।
জানা গেছে, পলাশবাড়ী সদর ইউনিয়নের উদয় সাগর গ্রামের রং মিস্ত্রী ও নেপিয়ার ঘাসচাষী রবিউলের স্ত্রী ৩ সন্তানের জননী সুলতানা বেগম (৩৫) এর সাথে পার্শ্ববর্তী সাদুল্যাপুর উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের গোবিন্দরায় দেবত্তর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য কাঠ বাবুর পুত্র পলাশবাড়ী উপজেলা সদরের মিজান চৌধুরীর ছ’মিল করাত কলের ম্যানেজার ও পলাশবাড়ী উপজেলা খোয়া ভাঙ্গা মেশিন, মিকচার মেশিন, ভাইব্রেটর মেশিন, প্লেনসীট-কাঠ ও বাঁশ মালিক সমিতির কোষাধ্য ৪ সন্তানের জনক লম্পট ইউনুসের কুদৃষ্টি পড়ে সুলতানার প্রতি। লম্পট ইউনুস প্রায় দিনই নেপিয়ার ঘাস নেওয়ার জন্য সুলতানার বাড়িতে আসা-যাওয়ার সুবাদে তাদের মধ্যে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সম্পর্ক গভীর হলে সুলতানার নিকট প্রেমিক ইউনুস আলী প্রায় ২ লাধিক টাকা কর্জ নিয়ে এ্যাপাসি মোটরসাইকেল ক্রয় করে চুটিয়ে প্রেম করে যাচ্ছিল। এরই এক পর্র্যায়ে গত রোববার সুলতানা স্বামী রবিউলের বাড়ি করার জন্য রতি নগদ ৫ লাখ টাকা মেয়ের ২ ভরি স্বর্ণাঙ্কার নিয়ে স্বামী-সন্তানদের ফেলে রেখে ঘর বাঁধার উদ্দেশ্যে পরকীয়া প্রেমিক ইউনুসের সাথে অজানার পথে পড়ি জমায়। বেচারা স্বামী রং মিস্ত্রী স্বামী রবিউল মোটা অংকের টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও স্ত্রীকে হারিয়ে এখন পাগল প্রায়। এ ব্যাপারে রবিউল গত ০৮/০২/২০১৬ইং পলাশবাড়ী থানায় একখানা জিডি করেছেন। বিষয়টি অত্র এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে এবং হায়রে প্রেম, হায়রে ভালবাসা, এরই নাম প্রেম কথা গুলো লোকমুখে বেশ চাউর হচ্ছে। #

গাইবান্ধায় ইরি চাষাবাদে ব্যস্ত কৃষকরা
গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার প্রত্যান্ত গ্রামাঞ্চলের কৃষকরা প্রচন্ড শীতকে উপক্ষে করে ইরি-বোরো চাষাবাদে ব্যাস্ত হয়ে পড়েছেন। এদিকে কৃষাণীরা সকাল থেকে সন্ধ্যা পযর্ন্ত সার ও বীজ চারা নিয়ে মাঠে নেমেছেন। বিরাহীন গতিতে চলছে রোপণের কাজ। পলাশবাড়ীরের পূর্ব গোপিনাথপুর এলাকায় গতকাল সরজমিনে কৃষক হালিম,রশিদ,শাহিনের সাথে কথা বলে জানা যায়, আবহাওয়া অনুকুলে ও সার কীটনাশকের মূল্য নিয়ন্ত্রণে থাকলে এবার আশানূরুপ ফলন নেওয়া সম্ভব হবে। উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে ইরি-বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নিধারণ হয়েছে গতবাড়ের তুলনায় অনেক বেশি। এর মধ্যে হাইব্রিড,উফশি ও স্থানীয় জাতের ধান রয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসার আজিজুর রহমান জানান, কৃষকদের সারি করে চারা লাগানো এবং কয়েকদিনের মধ্যে ক্ষেতে কঞ্চি পুতে দেয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যাতে ওই সমস্ত কঞ্চিতে পাখি বসে জমির ক্ষতিকর পোকা নিধন করতে পারে। সেই সাথে পরিচর্যা কওে কম মাত্রায় কীটনাশক প্রযোগ কওে অধিক ফলনের কলা-কৌশলও কৃষকদেও শেখানো হচ্ছে।

Share.

About Author

Leave A Reply