শান্তিচুক্তির ৪৮টি ধারা বাস্তবায়িত হয়েছে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

0

বিশেষ প্রতিনিধি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বুধবার বিকেলে জাতীয় সংসদে নির্ধারিত প্রশ্নোত্তরকালে বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির ৭২টি ধারার মধ্যে ৪৮টি ধারা সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। ১৫টি ধারা আংশিক বাস্তবায়িত হয়েছে। আর নয়টি ধারা বাস্তবায়নাধীন আছে। এখনো যেসব ধারা বাস্তবায়ন করা হয়নি, সেগুলোও বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আজ বুধবার বিকেলে জাতীয় সংসদে নির্ধারিত প্রশ্নোত্তরকালে রাঙামাটির স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ঊষাতন তালুকদারের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামের বাসিন্দাদের জীবন-জীবিকার যাবতীয় ব্যবস্থা আমরা করেছি। যারা চাকরি চেয়েছিলেন, তাঁদের চাকরি দেওয়া হয়েছে। আমি ১৯৮১ সালে দেশে ফেরার পর ওই অঞ্চলে যখনই কোনো ঘটনা ঘটেছে, তখনই সেখানে ছুটে গেছি। সমাধানের পথ কী, তা নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করেছি।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সব সময় বলেছি, সমাধান হবে সংবিধানের আওতায়। যখন চুক্তি হয়, বিএনপি-জামায়াত তার বিরোধিতা করেছিল। বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া বলেছিলেন, এই চুক্তি বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশের ফেনী পর্যন্ত ভারত হয়ে যাবে। উনি তখন ফেনীর সংসদ সদস্য, তাই উনাকে প্রশ্ন করেছিলাম, ফেনী যদি ভারত হয়ে যায়, তাহলে কী উনি ভারতের সংসদে গিয়ে বসবেন?’ এর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী যোগ করেন, ‘যেদিন অস্ত্র সমর্পণ হয় সেদিন বিএনপি পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় হরতাল-অবরোধ ডেকেছিল, যাতে অস্ত্র সমর্পণ না হয়। এই ১০ ফেব্রুয়ারি কিন্তু পার্বত্য চট্টগ্রামে অস্ত্র জমা দেন বিদ্রোহীরা।’
সরকারদলীয় সাংসদ শামসুল হক চৌধুরীর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামে এয়ারপোর্ট করতে হলে পাহাড় কেটে করতে হবে। সেটা পার্বত্য চট্টগ্রামের জন্য ভালো হবে না। আমরা রাস্তা করে দিচ্ছি। কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বেশি দূরে নয়। পার্বত্য চট্টগ্রামের সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য রাস্তা দিয়ে চলাই ভালো হবে।’

শিক্ষার পাশাপাশি গবেষণাকেও বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক :
ঢাকা: শিাকে বহুমুখীকরণ ও উচ্চশিাকে যুগোপযোগী করতে বিভিন্ন পদপে নিয়েছে সরকার। এর পাশাপাশি গবেষণাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বুধবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ এবং গবেষকদের বিশেষ অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা জানান।
দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নে বিশেষায়িত জ্ঞানের বিকল্প নেই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের মাত্র একটা ছিল। আমরা একে চারটা করে দিয়েছি। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২টির মধ্যে দুটিকে আমরা কৃষি বিশেষায়িত বিজ্ঞানভিত্তিক হিসেবে ঘোষণা দেই।”
তিনি বলেন, “যেহেতু ডিজিটাল বাংলাদেশ আমরা ঘোষণা দিয়েছিলাম, তাই ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয় আমরা গড়ে তুলেছি।”

Share.

About Author

Leave A Reply