মঠবাড়িয়ায় ওয়াক্্ফ সম্পত্তির ফলজ গাছ কর্তণ

0

মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি : পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার কবরখুরাকে কেন্দ্র করে ওয়াক্্ফ (কবর স্থান) সম্পত্তির ফলজ গাছ কেঁটে ফেলেছে ইব্রাহীম হাওলাদার নামে এক যুবক। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার উত্তর হলতা গ্রামে এ ঘটনা ঘটলেও এখন পর্যন্ত উত্তেজনা বিরাজ করছে। ইব্রাহীম হাওলাদার ওই গ্রামের মৃত. জানে আলম হাওলাদারের পুত্র।
স্থানীয়রা জানান, মরহুম হাছন আলী হাওলাদার বাড়ীর জনৈক এক নারী মারা গেলে তার কবর খুরতে আসেন এলাকার লোকজন। ওই শ্রমিকরা কবরস্থানে থাকা জাম্বুরা গাছ থেকে একটি জাম্বুরা ছিড়ে খায়। জাম্বুরাটি সুস্বাধু হওয়ায় আরেকটি ফল ছিড়তে গেলে ইব্রাহীম হাওলাদার বাঁধা দেয়। এসময় একই বাড়ির শাহিন হাওলাদার বলেন খাবার জিনিস, শ্রমিকরা খাবে তাতে সমস্যা কি ? সে শ্রমিকদের অরেকটি জাম্বুরা ছেড়ার জন্য বলেন। এতে ইব্রাহীম হাওলাদার ক্ষিপ্ত হয়ে কবরস্থানের জাম্বুরা গাছটি কেঁটে ফেলে।
স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার দুপুরে সাংবাদিকরা সরেজমিনে গেলে তাদের সামনে ইব্রাহীম ও তার ভাই আলামীন হাওলাদার শাহিন ও পান্না হাওলাদারের ওপর চড়াও হন। এতে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে।
স্থানীয় সত্তরোর্ধ শাহাবুদ্দিন ও জালাল হাওরাদার বলেন, ইব্রাহীম অত্যান্ত বেপরোয়াভাবে কবরস্থানের জাম্বুরা গাছটি কেঁটে ফেলেছে।
ইব্রাহীম হাওলাদার কবর স্থানের ফলজ গাছ কেঁটে ফেলার কথা অকপটে স্বীকার করেছেন। এঘটনায় আইনের আশ্রয়ে যাবেন বলে পান্না হাওলাদার জানান।

মঠবাড়িয়ায় পুলিশের বিরুদ্ধে অস্ত্র ঠেকিয়ে সহি নেয়ার অভিযোগ
মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি : পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থানার উপ-পরিদর্শক জাহিদ ও আবু জাফরের বিরুদ্ধে ঘর তল্লাসীর সময় পুতুল বেগম (২০) নামে এক নারীর মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে সাদা কাগজে সহি নেওয়া অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ১০ সেপ্টেম্বর সোমবার গভীর রাতে উপজেলার তেতুল বাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুতুল বেগম এক দিন চিকিৎসা নেয়ার পরে বুধবার এ ঘটনায় পিরোজপুর পুলিশ সুপার বরাবরে ডাকযোগে লিখিত অভিযোগ পাঠান। পুতুল বেগম দেবীপুর গ্রামের আ: সালাম হাওলাদারের মেয়ে।
অভিযোগ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানাযায়, পুতুল বেগম চাচাত ভাই তেতুল বাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা মৃত. মুজিবর রহমান হাওরাদারের পুত্র সুমন হাওলাদারের বাড়িতে কোন লোক না থাকায় গত সোমবার রাতে পুতুলকে বাড়ি পাহেড়া দেয়ার জন্য অনুরোধ করে সুমন। তার অনুরোধে পুতুল বেগম, তার মা ও ভাই-বোন মোট ৪ জন সুমনের ঘর পাহাড়া দিতে আসেন। রাত ১২ টার দিকে ঘরের প্রতিটি দরজায় আঘাতের শব্দ শুনে তারা ঘুম থেকে জেগে ওঠে। এসময় তারা বৈদ্যুতিক লাইট জ¦ালিয়ে ও জানালা খুলে বাহিরে দেখতে পায় মঠবাড়িয়া থানার উপ-পরিদর্শক জাহিদ ও আবু জাফরসহ ৭/৮ জন পুলিশ দাড়িয়ে আছে। পুলিশের কথা মতো তার ঘরের দরজা খুলে দিলে পুলিশ ঘরে প্রবেশ করে সুমনের কথা জিজ্ঞাসা করে। সুমন ঘরে নেই বলে পুতুল জানান। এসময় পুলিশ সদস্যরা ঘর তল্লাসীর নামে ব্যাপক ভাংচুড় ও তান্ডব চালায় এবং দুটি স্থানে থাকা ২৪ হাজার ৮ শত নগদ টাকা, স্বার্ণালংকার, টর্চ লাইট ও মোবাইল সেটসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে যায়। এঘটনার প্রতিবাদ করে পুলিশের কাছে জানতে চায় সুমনের নামে কোন মামলা আছে কিনা ? এসময় উপ-পরিদর্শক আবু জাফর ক্ষিপ্ত ভাষায় মামলা নেই বলে তাকে শাররীকভাবে লাঞ্চিত করেন। পরে তারা পুতুলের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে সাদা কাগজে সহি নেয় বলে লিখিত অভিযোগে জানা গেছে।
মঠবাড়িয়া থানার উপ-পরিদর্শক জাহিদ সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সুমনের স্ত্রী শারমীনের মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে তার বাড়ি তল্লাসী করা হয়েছে। বিষয়টি ওসি স্যার ও এসপি স্যারকে অবহিত করা হয়েছে।

Share.

About Author

Leave A Reply