উত্তরায় ফুটপাতে ওঠে লক্ষ লক্ষ টাকার চাঁদা

0

কাজি আরিফ ঃ রাজধানীর উত্তরায় ৯ নং সেক্টরে মাথা উচু করে দাঁড়িয়ে আছে ১৬ তলা বিশিষ্ট হাসপাতালের আধুনিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল যাকে আবার অনেকে কাছে বাংলাদেশ মেডিকেল নামে পরিচিত। কিন্তু সেই আধুনিক মেডিকেল হাসপাতালের কোল ঘেষে গড়ে উঠেছে প্রায় ১০০ টিরও বেশি ভাসমান টং দোকান যেমন চা দোকান,ডাবের দোকান,হোটেল ইত্যাদি। এ প্রতিটি ভাসমান টং দোকান থেকে ৩০০ টাকা করে প্রতিনি চাঁদা ওঠে। সরেজমিনে তথ্য জানা গেছে এসব চাঁদার টাকা ওঠায় হাসান(৩৫)। এই হাসানের গ্রামের বাড়ি বরিশাল। এবিষয়ে হাসানের সাথে কথা বললে তিনি জানান এটা নিয়ন্ত্রন করে উত্তরা কল্যান সমিতি এবং এ বিষয়ে আরও তথ্য জানতে চাইলে হাসান সাংবাদিকের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং বলে আমাকে কিছুই করতে পারবেন না আমি থানা ম্যানেজ করে চলি। হাসান আরও বলে আমার সাথে আছে উত্তরা পশ্চিম থানার এসআই আনোয়ার আমার কোন সমস্যা নাই। এর কিছুদিন পরে তথ্যের জন্য হাসানরে সাথে দেখা করতে গেলে তাকে আর কখনোই পাওয়া যায় না। এই হাসান আবার উত্তরা ৭ নং সেক্টরের লেক পার ও ১২ নং সেক্টরের চৌরাস্তায় ফুটপাত থেকেও চাঁদার টাকা উঠায় দুপুর ১ থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত যা সরেজমিনে তথ্য পাওয়া যায়। এদিকে উত্তরা আধুনিক মেডিকেল হাসপাতালের পাশে ভাসমান টং দোকান গুলো থেকে চাঁদার টাকা প্রতিদিন বিকাল ৫ থেকে শুরু করে রাত ১০ পর্যন্ত চাঁদার টাকা নেওয়া হয় প্রতিটি দোকান থেকে জানান সেখানেরই এক টং দোকানদার। এক চা দোকানদার সাংবাদিককে জানান ভাসমান এই সব টং দোকানদাররা প্রতিটা দোকান থেকে তিনশত টাকা করে চাঁদা দিয়ে থাকেন তা না হলে তার সেখানে ব্যবসা করতে পারবে না ।হাসানকে যদিও সচারচায় পাওয়া যায় না তবে যতটুকু সময় পাওয়া যায় তাও আবার এ বিষয়ে কোন সাংবাদিক হাসানের কাছ থেকে কোন তথ্য জানতে চাইলে তিনি বলেন এমন সাংবাদিক অনেক আছে এবং এমন বলতে শুনা যায় অশিক্ষিত হাসানও নাকি সাংবাদিকতাও করেছে এক সময় তিনি বলে সাংবাদিক গোনার সময় নাই। এদিকে প্রতিদিন শত শত রোগি হাসপাতালে তাদের চিকিৎসার জন্য আসলে ভাসমান চা দোকানে বসে থাকা বখাটেদের হয়রানি ও নির্যাতনে শিকার হতে হয় বলে জানা আশপাশ এলাকর সাধারন মানুষ। চিকিৎসা সেবা নিতে যেয়ে যদি এ ধরনের ভাসমান টং দোকানে বসে থাকা বখাটেদের হয়রানি শিকার হয় সাধারন আর পুলিশ যদি নিরব থাকে তাহলে কোথায় গেলে নিরাপদ থাকবে অসহায় মানুষ? এ বিষয়ে কাউন্সিলর আফসার খানের সাথে কথা বললে তিনি বলে আমরা অন্যায়ের সাথে কখনো আপোষ করিনি এ ভাসমান টং দোকানের বিষয়টা ততোটা আমার খেয়াল নেই তবে এ বিষয়টা আমি দেখছি।এ ধরনে হাসনদের সমাজের সামনে এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করে সভ্য সমাজ।

Share.

About Author

Leave A Reply