মঠবাড়িয়ায় প্রভাবশালী কর্তৃক জমি দখল ও দোকান লুটপাটের অভিযোগ

0

মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি : পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে ৫ কাঠা জমি দখল করা ও তিনটি দোকান ভাংচূড় করে লুটপাট করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গত শনিবার সকালে উপজেলা মিরুখালী ইউনিয়নের বাদুরা গ্রামের আঃ সোবাহান শরীফ মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এ ঘটনা ঘটে। এঘটনা ভুক্তভোগী ওই গ্রামের মৃত.করম আলী ফরাজির পুত্র মো. হাজী বসির উদ্দিন ফরাজী মঠবাড়িয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেন। বিবাদীরা হলেন- একই এলাকার এজেম্বর পঞ্চায়েতের পুত্র টুকু পঞ্চায়েত, মৃত.আফতাব শরীফের পুত্র শহীদ ও আনু শরীফ, মৃত. মজিদ শরীফের পুত্র শহীদ শরীফ, দেলোয়ার শরীফের পুত্র ফয়সাল, শহীদ শরীফের পুত্র মুন্না ও মৃত. আবতাফ শরীফের পুত্র মজিবর শরীফ।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বাদুরা মৌজার জে,এল নং ১৩, খতিয়ান ৩৪৪, ২৩৫দাগের ৫কাঠা জমি হাজী বসির উদ্দিন ফরাজী প্রায় ১৫ বছর আগে (দলিল নং-৫৩৫৩/৪) ক্রয় করে ভোগ দখল করে আসছেন। এলাকার প্রভাবশালীরা অবৈধ ভাবে দখল করার জন্য স্থানীয় স্কুলের নাম ভাঙ্গীয়ে দীর্ঘদিন ধরে ওই জমি দখল করার পায়তারা চালিয়ে আসছিল। এদিকে স্থানীয় চেয়ারম্যনের মাধ্যমে তাকে প্রস্তাব দেয়া হয় জমি পরিবর্তণ (এওয়াজ বদল) করে অপর স্থানে দেয়া হবে। একই সাথে তিনটি দোকান পজেশন দেয়া হবে। হাজী বসির উদ্দিন ফরাজী তা মেনে নিয়েছিলেন। কিন্তু প্রভাবশালীদের কালক্ষেপনে সম্প্রতি তিনি ওই জমিতে পাকা স্থাপনা নির্মানের প্রস্তুতি নেন এবং ১০ টি পাঁকা পিলার নির্মাণ করেন। অপরদিকে পুণঃরায় প্রভাবশালীরা জমি দখলের চেষ্টা করলে হাজী বসির উদ্দিন ফরাজী পিরোজপুর সিভিল জজ আদালতে মামলা (নং-০৫/১৯) করেন। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে বিবাদীর শোকেজ নেটিশ করে। নোটিশ পেয়েই ওই জমির পাকা পিলার ভেঙ্গে ফেলা হয়। এসময় রড, ইট, ইটের খোয়া ও তিনটি দোকান ভেঙ্গে বিভিন্ন মালামাল লুটপাট করা হয়েছে বলে হাজী বসির উদ্দিন ফরাজী অভিযোগ করেন। তিনটি দোকানের একটি ডিসিআর কাটা (রশিদ নং-২৬০),অপর দুটি দোকানের জন্য ডিসিআরের জন্য আবেদন করা রয়েছে।
এব্যাপারে টুকু পঞ্চায়েত ভাংচূড়ের কথা অস্বীকার করে বলেন, স্কুলের স্বার্থে জমি পরিবর্তণ করে দিতে চেয়েছি সাথে তিনটি দোকান পজেশন দিতে চেয়েছি আমরা। কিন্তু বসির উদ্দিন ফরাজী তাতে রাজি হচ্ছেন না। হাজী বসির উদ্দিন ফরাজী বলেন, এ জমির সাথে স্কুল মাঠের সাথে তেমন কোন সম্পর্ক নেই। তারপরেও লিখিতভাবে জমি পরিবর্তণ করে নিতে আমিও রাজি ছিলাম। কিন্তু তারা শুধু কালক্ষেপণ করে আসছেন।
মঠবাড়িয়া থানার উপ-পরিদর্শক আঃ রহমান বলেন,ওসি সারের নির্দেশে ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়েছেন। সেখানে দোকন ঘর ও পিলার ভাংচূর করা দেখেছেন। তবে কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা তিনি দেখেন নি।

Share.

About Author

Leave A Reply