নোয়াখালীর চাটখিলে প্রতিবন্ধীর সম্পত্তি জবরদখল করার অভিযোগ

0

নোয়াখালী প্রতিনিধি : প্রতিবন্ধী মহিলার সম্পত্তি জবর দখল করার ফন্দি করছে দেবর ও তার সন্ত্রাসী ছেলেরা। শাররীক নির্যাতন গ্রামে সালিশ দরবার, আদালতে মামলা, শেষ কৌশল তাদের গুম হত্যা।
অভিযোগে জানা যায়, নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলার বাবুপুর গ্রামের রাশাদ মিয়ার ছেলে আবুল হোসেন এর সাথে ১৯৯২ সালে প্রতিবন্ধী নয়ন আক্তারের বিবাহ হয়। আবুল বিদেশ থেকে দেশে আসার পর কিছু সম্পত্তি খরিদ করে এবং বিবাহ করে। বিবাহের আগে পরে প্রায় ৭০শতক ভূমি খরিদ করিয়াছে। আরেকটা পাকা ঘর করেছে এর পর আবুল হোসেন স্ত্রী নয়ন আক্তারকে সাথে নিয়ে লেবানন চলে যায়। সেখানে ২ বছর থাকার পর সড়ক দুঘটনায় নয়ন আক্তার আহত হলে কিছু দিন চিকিৎসা করানোর পর তাকে বাংলাদেশে পাঠাইয়া দেয়। আবুল হোসেন লেবানন থেকে যায়। সুত্র আরো জানায়, অনেক দিন যোগাযোগ ছিলো। এর পর স্বামী আবুল হোসেন এর সাথে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। সে কোথাই আছে কেউই জানে না।
এদিকে বিবাহের আগে পরে আবুল হোসেন নিজ এলাকায় ৭০শত ভূমি খরিদ করিয়াছে। বাবা রাশাদ মিয়ার মৃত্যুর পর ভাই রুহুল আমিন,আমির হোসেন ,আবুল হোসেন ,মহিবুর রহমান ও বোন খুরশিদা বেগমকে রেখে যায়। ইতিমধ্যে ২ ভাই এক বোন মারা যায়।
অভিযোগে আরো জানা যায়, দীর্ঘ দিন আবুল হোসেন এর সাথে যোগাযোগ না থাকায় মহিবুর রহমান এবং তার ছেলে শিপন ও লিটনসহ নয়ন আক্তারকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদের পায়ঁতারা করে। মহিবুর রহমান ফতুয়া দেয় আবুল হোসেন মারা গিয়াছে। তার বিষয় সম্পত্তি জীবিত তার ভাই ও ছেলে পাবে। সাদা কাগজে কয়েকজন আকা বাকা স্বাক্ষর করে বলেছে আবুল হোসেন মারা গিয়াছে তার বিষয় সম্পত্তি মহিবুর রহমান ,শিপন ও লিটন পাবে।আবুল হোসেন এর স্ত্রী নয়ন আক্তারকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করতে হবে। স্থানীয় ইউপি মেম্বার ,চেয়ারম্যান ও গন্যমান্য ব্যক্তিরা মহিবুর রহমানকে সর্তক করে দিয়েছে। তারা মানে না উত্তেজিত হয়ে মারতে আসে। বহুবার শাররীক নির্যাতন করেছে, শালিশ হয়েছে সমাজের গন্য মানমান্য ব্যক্তিরা ,স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যনা, মেম্বার তাদেরকে নির্বত করতে পারে নাই। তাদের সামনে গুম হত্যার হুমকি দেয়। তাদের অত্যাচারে অসহনীয় পর্যায়ে চলে গেছে। মহিবুর রহমান বাদী হয়ে চাটখিল সহকারী জজ আদালতে মামলা করে। মামলা নং দেওয়ানী ২৫/১৪,মামলার আর্জিতে উল্øেখ আছে । আবুল হোসেন নি;সন্তান অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেন,মৃত্যুকালে তাহার একমাত্র স্ত্রী বিবাদী নয়ন আক্তার এবং একমাত্র ভ্রাতা ১নং বাদী মো. মহিবুর রহমান বাদশা। বর্তমানে আবুল হোসেন এর স্থলবর্তী ওয়ারিশ হিসেবে জীবিত আছে । ৩নং কলমে লেখা আছে বর্নিত প্রকারে আবুল হোসেন মোট ৬৯ ডিং জমি খরিদ সুত্রে মালিক দখলকার থাকিয়া লেবাননে শ্রমিকের কাজ করিতে গিয়া ১৯৯৪ সনে তথায় যুদ্ধ অঞ্চলে র্দুঘটনা জনিত কারণে মৃত্যু বরণ করে। আজ ২০ বছর যাবত তাহার কোন খোঁজ পাওয়া যাইতেছে না। হয়ত বা বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে তাহাকে লেবাননের কোন অঞ্চলে দাফন করা হইয়াছে । আমরা তাহার ওয়ারিশ এবং আতœীয় স্বজনগন তাহার মৃত্যুকে মানিয়া নিয়াছি। কিন্তু বিবাদী তাহা মানে না। এমামলা আদালত খারিজ করিয়া দিয়েছে। বর্তমানে সমাজ ইউনিয়ন পরিষদ কেহ মহিবুর ও তার ছেলেদের উত্তেজনাকে সামাল দিতে পারিতেছে না।
নয়ন আক্তার অভিযোগে জানায় , ভয়ে ঘরে লুকাইয়া থাকি কখন কি হয় তা জানি না।

কোম্পানীগঞ্জে ২ চেয়ারম্যান প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার
নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে একজন চেয়ারম্যান ও একজন ভাইস চেয়ারম্যান (নারী) প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন।
মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের বিদ্রেহী প্রার্থী নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল ও উপজেলা (নারী) ভাইস চেয়ারম্যান পদে বসুরহাট পৌরসভার সাবেক মহিলা কাউন্সিলর ফাতেমা বেগম পারুল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন।
বুধবার (১৩ মার্চ) শেষ দিনে তারা সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আবেদন করে তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নোয়াখালী জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো.রবিউল আলম’র ২ জনের মনোনয়ন প্রত্যাহারের নিশ্চিত করেন।

Share.

About Author

Leave A Reply