দাকোপে ঘূর্ণিঝড় ফণির আক্রমনে তিন শতাধিক পরিবার পানি বন্ধী, সরকারি সহয়তা নেই

0

জাকির হোসেন :
দাকোপ (খুলনা) প্রতিনিধি : ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ফণির আক্রমনে লন্ডভন্ড পানি উন্নয়ন বোর্ডের রাস্তা ভেঙ্গে বানশিন্তা বাজারসহ তিন শতাধিক পরিবার পানি বন্ধী অবস্থায় মানবেতর জীবন যাপন করছে অসহায় পরিবারদের পাশে দাড়াতে প্রধান মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ জরুরী। সংশ্লিষ্ট এলাকা সূত্রে জানা যায় গত ইং- ০৬-০৫-১৯ তারিখ হতে শুরু হয় ভয়াবহ ফণির আক্রমন একের পর এক পানি উন্নয়ন বোর্ডের রাস্তা ভেঙ্গে এলাকা প্লাবিত হয় এ ঘটনা দেশের সকল স্থানে পৌছে গেলে ছুটে আসে পরিদর্শনে হুইফ পঞ্চানন বিশ^াস। মানবেতর জীবন জাপন করছে হাজার খানেক মানুষ নদী ভাঙ্গনে পানি উন্নয়ন বোর্ডের রাস্তা ভেঙ্গে এলাকায় পানি প্রবেশ করে ক্ষতিগ্রস্থ তিন শতাধিক পরিবারর সর্বশ্য হারা হয়েছে তাদের শান্তনা দেওয়া হয়েছে বটে, দঃখের বিষয় মুখে ভাতের ব্যাবস্থা করা হয়নি। এমনকি জোয়রের পানি এলাকায় প্রবেশ করতে থাকে স্থানিয় ইউপি সদস্য ফিরোজ আলী খান দিন রাত পরিশ্রম করে পানি রোধ করার চেষ্টায় ব্যার্থ হয়। বিষয়টি স্থানিয় চেয়ারম্যানকে অবহিত করা শর্তেও প্রায় একশত গজ রাস্তা ভেঙ্গে এলাাকয় পানি প্রবেশ করে অথচ তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ডেকে কোনো কঠর নিদ্দেশ দেওয়া হয়নি তাদের অলসতার কারনে তিন শতাধিক পরিবার সীমাহীন দূর্ভগের শিকার। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারদের ঠাই নেওয়ার মত স্থান টুকু ওদের নেই, অসহায় অবস্থায় তাদের দিনাতিপাত চলছে। হুইফ পঞ্চানন বিশ^াস (দাকোপ, বটিয়াঘাটা, খুলনা -১ সংসদ সদস্য ) দাকোপ উপজেলা আঃ লীগ সভাপতি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ¦ শেখ আবুল হোসেন, বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান মুনসুর আলী খান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল ওয়াদুদ, থানা ভারপ্রপ্ত কর্মকর্তা মোকারম সহ আঃ লীগ অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা এমন কী স্থানিয় গন্যমান্য ব্যক্তি বর্গ ভাঙ্গন কবলিত স্থান ও পানি বন্ধী তিন শতাধিক পরিবারদের সাথে কুসল বিনমিয় করেন। এসময় ক্ষতিগ্রস্থরা উল্লেখ করেন দির্ঘ সময়ের মধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের এ রাস্থা সংস্কার করা সম্ভাব হতো, কিন্তু পরিকল্পিত ভাবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের এস,ও, তাজ উদ্দিন আহম্মেদ ও বানিশান্তা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুদেব কুমার রায় এর অলসতার কারনে তাদের এ দূর্ভগ চরমে উঠেছে । ৩২নং পোল্ডারে শিবসা নদীর তীরে গুনারী বৈদ্য বাড়ী সংলগ্ন পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়ীবাধঁ লন্ডভন্ড হওয়ায় স্থানীয় জন প্রতিনিধি মৃনাল কান্তি হালদার, ডা: মদন মোহন মন্ডল এর নেতৃতে ২৬ জন প্রতিনিধিদের স্বেচ্ছা শ্রমে ৫০ ফুট রাস্তা সংষ্কারের ব্যবস্থা করা হলেও সেই স্থানটি আজও উন্নত মানের বাধঁ না হওয়ায় ঝুকিপূর্ন অবস্থায়
রয়েছে। বাধঁটি ভেঁঙ্গে যে কোন মুহুর্তে সাধারন জোয়ারের পানি এলাকায় প্রবেশ করে ঘটতে পারে আইলার মত দূর্ঘটনা। সেই হতে অদ্যবধী এই রাস্থায় সংষ্কারের ব্যবস্থা না হওয়ায় সর্বক্ষন রয়েছে এলাকাবাসী আতংঙ্কে, কোন সময় কি জানি হয়ে যায় বিষয়টি স্থানীয় প্রতিনিধি পানি উন্নয়ন বোর্ড উদ্ধোতন কর্তৃপক্ষকেও অবহিত করা সত্বেও কোন সুনজর রাখছে না তারা। ঐ এলাকার মানুষ বাঁচতে চায়। ওদের সহযোগীতা করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্থ্যক্ষেপ জরূরী বলে ভুক্ত ভুগীরা অভিমত ব্যক্ত করেন। অতি দ্রুত এ নদী ভাঙ্গন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের রাস্থা সংস্কারের ব্যবস্থা না হলে বানিশান্তা, লাউডোব, কৈলাশগঞ্জ, দাকোপ, বাজুয়া,সুতারখালীও কামারখোলা এ সাতটি ইউনিয়নের দুই লক্ষাধিক মানুষের বাড়ী ঘর আসবাব পত্র স¦মূলে ধংস হবে বলে স্থানিয়দের বক্তব্য শুনে, হুইফ পঞ্চানন বিশ^াস পানি উন্নয়ন বোর্ডের এস,ও, তাজ উদ্দিনকে উদ্দেশ্য করে বলেন অতি দ্রুত রাস্থা সংস্কার করতে হবে। এব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের এস,ও, তাজউদ্দিন আহম্মেদ ও বানিশান্তা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুদেব কুমার রায় এর সাথে মুঠো ফোনে কথা হলে তারা বলেন নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধের চেষ্টা চলছে দুঃখের বিষয় ফনির আক্রমনে এ দূঘটনার শিকারে পাড়েছে তারা।

Share.

About Author

Leave A Reply