দাকোপে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

0

দাকোপ(খুলনা)প্রতিনিধি
দাকোপে উপজেলা পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় বালক পর্যায়ে কৈলাশগঞ্জ ইউনিয়নের ত্রি-মোহনী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল একাদশ এবং বালিকা পর্যায়ে কালিনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল একাদশ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। গতকাল বুধবার সকালে দাকোপ উপজেলা শিক্ষা অফিসের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মাঠে বালক গ্রুপের ৪টি ফুটবল একাদশ এবং বালিকা গ্রুপের ৪টি ফুটবল একাদশের মধ্যে সেমি ফাইনাল খেলা শেষে বিকালে ফাইনাল খেলায় বালক পর্যায়ে ত্রি-মোহনী সরঃ প্রাঃ বিদ্যালয় ফুটবল একাদশ ১-০ গোলের ব্যবধানে বটবুনিয়া সরঃ প্রাঃ বিদ্যাঃ ফুটবল একাদশকে পরাজিত করে এবং বালিকা পর্যায়ে কামারখোলা ইউপির কালিনগর সরঃ প্রাঃ বিদ্যালয় ফুটবল একাদশ ২-০ গোলের ব্যবধানে বটবুনিয়া সরঃ প্রাঃ বিদ্যালয় ফুটবল একাদশকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল ওয়াদুদের সভাপতিত্বে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। সন্মনিত অতিথির বক্তৃতায় উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ অহিদুল আলম বলেন,শিশুর শারীরিক সুস্থতা,গণতন্ত্রের চর্চার পাশাপাশিএ খেলা দক্ষ জনশক্তি তৈরী করবে। এ সময় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান গৌরপদ বাছাড়,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান খাদিজা আকতার,দাকোপ প্রেসক্লাবের সভাপতি শচীন্দ্র নাধ মন্ডল,সহকারী শিক্ষা অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান,এনামূল হক,মৃন্ময় কুমার মন্ডল, প্রধান শিক্ষক ও টুর্নামেন্ট পরিচালক বিধান চন্দ্র রায়, প্রধান শিক্ষক শফিউল আজম সেলিম,প্রধান শিক্ষক লতিকা বিশ্বাস,প্রধান শিক্ষক মোঃ ইউনুছুর রহমান টিটো,প্রধান শিক্ষক প্রবীর মন্ডল,প্রধান শিক্ষক লোবেন্দ্র নাথ বর্মন, প্রধান শিক্ষক বিশ্বজিত রায় প্রমুখ।

দাকোপের গড়খালী খালের বাঁধ উন্মুক্তের দাবীতে নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে কৃষকদের স্মারকলিপি প্রদান।
দাকোপ(খুলনা)প্রতিনিধি
দাকোপের ৭নং তিলডাঙ্গা ইউনিয়নের গড়খালী এলাকায় বিভিন্ন খালের বাঁধ উন্মুক্ত করার দাবীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে দুইশতাধিক কৃষকের স্মারক লিপি প্রদান করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে ৭নং তিলডাঙ্গা ইউনিয়নের গড়খালী,সত্যপীর,কাঁকড়া বুনিয়া গ্রামের প্রায় ২শতাধিক কৃষকের স্বাক্ষর সম্বলিত প্রদত্ত স্মারকলিপি সুত্রে জানাগেছে,তিলডাঙ্গা ইউনিয়নের ৬নং গড়খালী গেট সংলগ্ন সত্যপীর খাল, কাঁকড়া বুনিয়া খাল এবং ৬নং গেটের খাল দিয়ে উক্ত এলাকার হাজারো কৃষকরা বহু বছর ধরে তাদের আমন ফসলের জমিতে স্বেচ ব্যবহার করে আমন ফসল উৎপাদনসহ মৎস্য চাষাবাদ করে আসছে। উল্লেখ্য ৬নং গেটের খাল দিয়ে বৃহত্তর গড়খালীর ১নং,২নং এবং ৩নং ওয়ার্ডের পানি সরবরাহ হয়ে থাকে। বর্তমানে তিলডাঙ্গা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান গাজী জালাল উদ্দিন তিনি ৬নং গেটের খালে আড়া আড়িবাঁধ দিয়ে এবং নেটপাটা দিয়ে সত্যপীর,নলডাঙ্গা,কাঁকড়া বুনিয়া,গড়খালী,আধার মানিকের পানি সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ায় এলাকায় ধান ও মাছ উৎপাদনে বিঘœ সৃষ্টি করেছেন। এ বাঁধ দ্রুত অপসারণ করার দাবীতে গতকাল বুধবার গড়খালী,সত্যপীর,কাঁকড়া বুনিয়া গ্রামের প্রায় ২শতাধিক কৃষকের তাদের স্বাক্ষর সম্বলিত এক স্মারকলিপি প্রদান করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বটবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নারায়ন চন্দ্র সরকার, তন্ময় সরকার, নির্মল চন্দ্র সরকার, বিনয় কৃষ্ণ রায়, সুব্রত সানা, মনোতোষ সরদার, কংকর সানা, নিহার রায় ,মনতোষ সানা প্রমুখ।

দাকোপের বাজুয়ায় কালো বাজারীদের রমরমা ব্যবসা জমে উঠেছে।
দাকোপ(খুলনা)প্রতিনিধি
দাকোপের পশুর নদী পথে গভীর রাতে জমে উঠেছে কালো বাজারিদের রমরমা ব্যবসা,জেন দেখার কেউ নেই। নাম প্রকাশ অনিচ্ছুকশর্তে বাজুয়া গ্রামের বেশ কয়েকজন জানান,প্রায় গভীর রাতে বাজুয়া ইউনিয়ন সংলগ্ন পশুর নদীতে বিভিন্ন স্থান থেকে আসা জাহাজ,কারগো থেকে অবৈধ উপায়ে তেল,সারসহ নানা সামগ্রী অল্প টাকার বিনিময়ে নামানো হচ্ছে এবং তাহা রাতের আধারেই বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হয়ে থাকে। ফলে এ সকল চোরাকারবারিদের কারণে ব্যবসায়িক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে ওই সকল মালামালের মালিকগণ। বর্তমানে বাজুয়া এলাকার জগো,দাস,রতন দাস,শংকর দাস,কালু দাশ এদের নেতৃত্বে গভীর রাতে বেশ কয়েকজন কালো বাজারিরা তেল ও সার এবং অনিমেশ দাস ও অচিন্ত্যর নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন কালো বাজারি পশুর নদীর বিভিন্ন জায়গার জাহাজ ও কারগো থেকে ডিজেল (ব্যারেল) মুকটি খুলে কেটে তেল নেয় আবার কখনো কখনো ব্যারেলটি নামিয়ে নেয়। অপর দিকে বিভিন্ন সারের বস্তা থেকে সার বেরিয়ে নেয়,আবার কখনো কখনো সারের বস্তাও নামিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে তারা বিভিন্ন সময়ে প্রতিবাদ কারীদের নানা ভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে থাকে বলে নাম প্রকাশ অনিচ্ছুকারীরা জানান। দাকোপ থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মোঃ শফিকুল ইসলাম চৌধুরী বলেন,আমি সবে মাত্র এ থানায় যোগদান করেছি,এ সকল নদী পথের কালো বাজারীদের সম্পর্কে আমার জানানেই। যদি এ সকল কালো বাজারী (ব্লাকাররা) নদী পথের কোন জাহাজ, কারগো থেকে তেল,সারসহ কোন পন্য সামগ্রী নামায় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমি এ থানায় যতদিন থাকবো ততদিন পর্যন্ত কোন সন্ত্রাসী,দুনীতিবাজ,কালো বাজারী,মাদক ব্যবসায়ী কাউকেই বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।

Share.

About Author

Leave A Reply