হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ইন্তেকাল

0

নিজস্ব প্রতিবেদক :
ঢাকা: জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহির রাজিউন।
রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন রোববার সকাল পৌনে ৮টার দিকে তিনি মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর।
আইএসপিআরের সহকারী পরিচালক রাশেদুল ইসলাম খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত ২৬ জুন সকালে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ অসুস্থবোধ করলে তাকে সিএমএইচে ভর্তি করা হয়।
গত ৪ জুলাই দুপুরে এরশাদকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়। সেদিনই চিকিৎসক সূত্রে জানানো হয়েছিল, তার শারীরিক অবস্থা একেবারেই খারাপের দিকে। জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে লড়াই করছিলেন তিনি। সৃষ্টিকর্তার বিশেষ রহমত ছাড়া তার এ যাত্রায় বেঁচে যাওয়াও যে কঠিন সে বিষয়েও আভাস দিয়েছিল চিকিৎসক দল।
একই দিন সন্ধ্যায় সাবেক রাষ্ট্রপতির শারীরিক অবস্থার অবনতি, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ঠিকভাবে কাজ করছে না বলে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জাতীয় পার্টির বনানী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও এইচএম এরশাদের ছোট ভাই জিএম কাদের।
গত ২২ জুন সকালে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করার পর এরশাদের ফুসফুস ও কিডনিতে সংক্রমণের বিষয়টি ধরা পড়ে।
১৯৩০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি তারিখে তিনি রংপুর জেলায় দিনহাটায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি রংপুর জেলায় শিক্ষাগ্রহণ করেন এবং ১৯৫০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
১৯৫১ সালে তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অফিসার্স ট্রেনিং স্কুলে (কোহাটে অবস্থিত) যোগ দেন এবং ১৯৫২ সালে কমিশনপ্রাপ্ত হন। ১৯৬০-১৯৬২ সালে তিনি চট্টগ্রাম ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের কেন্দ্রে অ্যাডজুট্যান্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ১৯৬৭ সালে তিনি কোয়েটার স্টাফ কলেজ থেকে স্টাফ কোর্স সম্পন্ন করেন। ১৯৬৮ সালে তিনি শিয়ালকোটে ৫৪ ব্রিগেডের মেজর ছিলেন। ১৯৬৯ সালে লেফটেন্যান্ট কর্নেল হিসেবে পদোন্নতি লাভের পর ১৯৬৯-১৯৭০ সালে ৩য় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এর অধিনায়ক ও ১৯৭১-১৯৭২ সালে ৭ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এর অধিনায়ক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

Share.

About Author

Leave A Reply