শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড

0

ক্রীড়া ডেস্ক :
ঢাকা: বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে জমজমাট ফাইনাল বলাই যায় এটাকে, প্রথমবারের মতো টাই, প্রথমবার ম্যাচ গড়িয়েছে সুপার ওভারে।
ইতিহাসের সবচেয়ে নাটকীয় এই ফাইনালে সুপার ওভারও টাই হওয়ায় মূলত পুরো খেলায় বাউন্ডারি বেশি থাকায় চ্যাম্পিয়ান হয় ইংল্যান্ড। খবর বিবিসি বাংলার
সুপার ওভারে ইংল্যান্ড আগে ব্যাট করে এবং মাঠে নামেন বেন স্টোকস ও জস বাটলার। আর নিউজিল্যান্ডের হয়ে বল হাতে নেন ট্রেন্ট বোল্ট।
প্রথমে ব্যাট করে ইংল্যান্ড প্রথম বলে ৩ রান নেয়ার পর একটি চারসহ ১৫ রান তোলে।
জবাবে ইংল্যান্ডের হয়ে বল হাতে নেন জোফরা আর্চার। নিউজিল্যান্ডের হয়ে ব্যাট হাতে নেন অফ ফর্মে থাকা মার্টিন গাপটিল ও জিমি নিশাম।
ওয়াইড দিয়ে শুরু করেন আর্চার। আর ওভারের দ্বিতীয় বলে নিশাম মিড উইকেটের ওপর দিয়ে উড়িয়ে ছক্কা হাঁকান।
তৃতীয় বলে আবারো দুই। ৩ বলে যখন দরকার ৫ রান, আবারও ২ রান নিয়ে দরকার হয় ২ বলে ৩।
এরপর ১ বলে দরকার হয় ২ রান, পুরো টুর্নামেন্ট ব্যাট হাতে ব্যর্থ থাকা গাপটিল আসেন স্ট্রাইকে।
শেষ বলে আসে ১ রান অর্থাৎ সুপার ওভারেও ম্যাচ টাই কিন্তু তাতেই উল্লাসে ফেটে পড়ে ইংল্যান্ড।
কারণ পুরো ম্যাচে বেশি বাউন্ডারি হাকানোর কারণে ততক্ষণে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জয় নিশ্চিত হয়ে গেছে তাদের।
ফাইনালের সেরা খেলোয়াড় বেন স্টোকস।
এর আগে প্রথমে ব্যাট করে নিউজিল্যান্ড ২৪১ রান তোলে পুরো ৫০ ওভার ব্যাট করে। হেনরি নিকোলস ৫৫ ও লাথাম ৪৭ রান তোলেন। আর ইংল্যান্ডের হয়ে লিয়াম প্লাঙ্কেট প্লাঙ্কেট ও ক্রিস ওকস তিনটি করে উইকেট নেন।
২৪২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ইংল্যান্ড, ৮৬ রানে ৪ উইকেট হারায়।
এরপর জস বাটলার ও বেন স্টোকস মিলে ১১০ রানের জুটি গড়েন। শেষ ২ ওভারে ইংল্যান্ডের প্রয়োজন ছিলো ২৪ রান।
৪৯তম ওভারে ২টি উইকেট পড়ে যায়, রান আসে ৯। শেষ ওভারের শুরুতে দুই বল ডট দেয়ার পর ছক্কা মারেন স্টোকস।
পরের বলে নাটকীয়তা জমে ওঠে দৌঁড়ে দুই নেয়ার সময় ব্যাটে লেগে আরো বাড়তি চার রান ওঠে। অর্থাৎ রান আসে সেই বলে ৬।
তখনো ২ বলে তিন রান দরকার ইংল্যান্ডের কিন্তু তারা দুই রান নিতে সক্ষম হয়।
শেষ বলে দুই রান নেয়ার চেষ্টা করে রানআউট হন উড, কিন্তু দু দলের রান সমান ২৪১ হওয়ায় খেলা সুপার ওভারে গড়ায়।

Share.

About Author

Leave A Reply