নোয়াখালীতে সনদ জালের অভিযোগে মহিলা প্রভাষক গ্রেপ্তার

0

নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালীর হাতিয়া ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক শাহিদা আক্তার রুবি জাল সনদের মাধ্যমে শিক্ষকতা করার অভিযোগে রবিবার গ্রেপ্তার করেছে দুদুক।
অভিযুক্ত শাহিদা আক্তার হাতিয়া উপজেলার চর কৈলাশ গ্রামের কে এম ওবায়েদুল্লাহ স্ত্রী।
সূত্রে জানা যায়, শাহিদা আক্তার রুবি বেসরকারী শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ এর ২০১০ সনের পরীক্ষার রোল-৪০৬০২৭৯৪, রেজি-১০০০০১২৬২ পরীক্ষা- ষষ্ঠ-২০১০ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি এর লেকচারার পদে একটি জাল ও ভুয়া সনদ প্রস্তুত করে হাতিয়া ডিগ্রী কলেজে প্রভাষক (ইসলামের ইতিহাস) হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে এমপিওভুক্ত হয়ে ইনডেক্স নং ৩০৮৪৪২১ মূলে ০১-১১-২০১২ তারিখ হতে ৩১-০৩-২০১৬ তারিখ পর্যন্ত বেতন ভাতা বাবদ ৫,৩৮,৯৭৫/- টাকা উত্তোলন/গ্রহণ করে আত্মসাৎ করেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শণ ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের শিক্ষা পরিদর্শক জনাব টুটুল কুমার নাগ এবং অডিট অফিসার জনাব গোলাম মুর্তজা গত ০৩-১২-২০১৫ তারিখে নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার হাতিয়া ডিগ্রী কলেজ নিরীক্ষা করলে সনদের সত্যতা নিশ্চিত না হওয়ায় এটিকে জাল সনদ হিসাবে আখ্যায়িত করে।
এ বিষয়ে নোয়াখালী দুদকের সহকারী পরিচালক সুবেল আহমেদ জানান, শাহিদা আক্তার রুবি প্রভাষক (ইসলামের ইতিহাস) তার ইনডেক্স নং ৩০৮৪৪২১ সে হাতিয়া ডিগ্রী কলেজে দীর্ঘদিন ধরে জাল সনদের মাধ্যমে শিক্ষকতা করে আসছিল। পরে আমরা অনুসন্ধানের মাধ্যমে তার জাল সনদের সত্যতা নিশ্চিত করি। সে উক্ত সনদ গোপন করে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে জালিয়াতি ও প্রতারণামূলকভাবে অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ করতঃ সরকারী ৫,৩৮,৯৭৫/- (পাঁচ লক্ষ আটত্রিশ হাজার নয়শত পঁচাত্তর) টাকা আত্মসাৎ করেছেন যা অনুসন্ধানকালে প্রমাণিত হয়েছে।

নোয়াখালীর সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার উদ্যেগ
নোয়াখালী প্রতিনিধি : সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নবীর হোসেন হঠাৎ করে নোয়াখালী পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের একটা অংশ রশিদ কলোনীতে মাদক,ইভটেজিং ,বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ কমিটি গঠনের জন্য সভা করেন। উদ্যেগকারীরা এতে আশা পাশের ছেলে বড়–কে উপস্থিত করে ব্যক্তিগত স্বার্থ উদ্ধারের জন্য কয়েকজন উদ্যেগ গ্রহন করেছেন। ৪নং ওয়ার্ডের ব্যাপক অংশে প্রচার-প্রচারনা করে গোপনভাবে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ছাড়া সুকৌশলে নিজস্ব স্বার্থসিদ্ধির জন্য বহু অর্থ ব্যায় করে প্রশাসনকে ব্যবহার করা হইতেছে। জনমনে গুঞ্জন এরা করা কে বানিয়েছে। এই অর্থ ব্যায় করার উদ্দেশ্য কি ? বহু সদস্য একজনের বাড়িতে দাওয়াত খাইতে যাওয়া। এসববিষয়ে খতিয়ে দেখা দরকার। এলাকাবাসী মনে করে যদি কমিটি করতে হয়। তাহলে ৪নং ওয়ার্ডের সবাইকে একত্রে করে বা গনসচেতনা সৃস্টি জন প্রতিনিধির অংশ গ্রহন,ব্যক্তিগত শুক্রতা আসে কিনা এবং সঠিক ভাবে হচ্ছে কিনা এবং এরা নিজে এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের অপরাধে সম্পর্ক আছে কিনা ? এবিষয় গুলো আইন প্রয়োগকারী সংস্থা নজর রাখবে । সচেতন মহল মনে করে সব বিষয়ে পৌর মেয়রের নজরে রাখা এবং পরামর্শ নেয়া। এছাড়া ৪নং ওয়ার্ডে প্রচার প্রচারণা করে জনমত সৃস্টি ভালো লোকজন দিয়ে কমিটি গঠন করা। যেন সরকারের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করা না হয়। অন্য কারো এজেন্ডা বাস্তবায়ন করা না হয়।

Share.

About Author

Leave A Reply