খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন ফেরত

0

নিজস্ব প্রতিবেদক :
ঢাকা : জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দ-িত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন ফেরত দিয়ে জ্যেষ্ঠ কোনো বেঞ্চে তা নিয়ে যেতে বলেছেন হাইকোর্ট।
বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি ফরিদ আহমেদ ও বিচারপতি এএসএম আব্দুল মোবিন সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন দ্বৈত বেঞ্চ জামিন আবেদনটি ফেরত দেন। পরে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা জামিন আবেদন ফেরত নেন।
আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন- জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, খন্দকার মাহবুব হোসেন, আইনজীবী নিতাই রায় চৌধুরী, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ও ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন।
এর আগে গত ৮ সেপ্টেম্বর (রোববার) একই বেঞ্চে জামিন আবেদনটি উপস্থাপন করা হলে তা গ্রহণ করে কার্যতালিকায় রাখার আদেশ দেন আদালত। ওই আদেশের ধারাবাহিকতায় আবেদনটি কার্যতালিকায় এসেছে।
আইনজীবী জয়নুল আবেদীন জানিয়েছেন, তারা হাইকোর্টের অন্য কোনো বেঞ্চে এটি শুনানির জন্য উপস্থাপন করবেন।
গত ৩ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি জামিন চেয়ে আবেদন করেন খালেদা জিয়া।
গত ৩১ জুলাই বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এসএম কুদ্দুস জামান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এই মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজ করে দেন।
গত ১৮ নভেম্বর এ মামলায় ৭ বছরের সাজার রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন খালেদা জিয়া। আপিলে বিচারিক আদালতের দেওয়া সাজার রায় বাতিল এবং মামলা থেকে খালাস চাওয়া হয়।
এর আগে গত ২৯ অক্টোবর ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আখতারুজ্জামান এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সাত বছরের সশ্রম কারাদ- ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। মামলার বাকি সব আসামিকে একই সাজা দেওয়া হয় এবং ট্রাস্টের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের ঘোষণা করেন আদালত।
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ টাকা লেনদেনের অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন- খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর সাবেক এপিএস জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার এপিএস মনিরুল ইসলাম খান।

Share.

About Author

Leave A Reply