নোয়াখালীতে হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক হামলা ও ভাংচুর

0

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সবুজবাংলা২৪ডটকম, ঢাকা : জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে নোয়াখালী পৌরসভার কাশিপুর এলাকায় মোহাম্মদ আলী মনু (৩২) নামে শহর স্বেচ্ছাসেবকলীগের নেতাকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। নিহতের পরিবারের দাবী জায়গা জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মনুর চাচা ইকবাল হোসেন তার লোকজন নিয়ে এ হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে। এদিকে হত্যার ঘটনার সাথে শাহাদাত জড়িত দাবী করে রাত পৌনে ১২টায় মানিক মিয়ার বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাংচর করা হয়। এই সময় তাদের বেশ কয়েকটি অটো রিকশা ও ঘরের জিনিষপত্র ভাংচুর করা হয় এবং নারীদের সাথে অশালীন আচরন করা হয়। আতঙ্কে শত শত মানুষ জড়ো হয় ওই বাড়িতে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত ইকবালকে গ্রেপ্তার করেছে। এ ব্যাপারে মানিক মিয়ার স্ত্রী অভিযুক্ত শাহাদাতের মা জাহানারা বেগম জানান, আমার ছেলে শাহাদাত যদি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকে মামলা হবে এবং পুলিশ অবশ্যই তাকে গ্রেপ্তার করবে। সে অপরাধ করলে অপরাধের বিচার আছে। কিন্তু ঘটনার দিন রাত পৌনে ১২ টায় কিছু লোক ক্ষিপ্ত হয়ে আমার বাড়িতে সন্ত্রাসীরা ব্যাপক হামলা ও ভাংচুর চালিয়ে তান্ডব সৃষ্টি করেছে এবং মহিলাদের সাথেও খারাপ আচরন করেছে। এই সময় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে আমার ৫/৬টি অটো রিকশা ভাংচুর করে এবং ঘরে হামলা ও ভাংচুর করেছে। পরে সুধারাম থানার ওসি ঘটনাস্থলে আসে। আমি এই ঘটনার বিচার দাবী করছি। আমাদের পরিবার বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। আমি পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
এর আগে সোমবার রাত ১০টার দিকে পৌর সভার ৬ নং ওয়ার্ডের এলাকার দত্তবাড়ী মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মোহাম্মদ আলী মনু ওই এলাকার মৃত আকবর আলীর ছেলে।
মনু নোয়াখালী শহর স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুর্যোগ ও ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন বলে জানিয়েছেন সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি খালেদ মোশারফ রাজু।
নিহতের ভাই আহমেদ আলী অভিযোগ করে বলেন, তার চাচা ইকবাল হোসেন ও তার কয়েকজন সহযোগি এশার নামাজের পর মনুকে মসজিদ থেকে ডেকে নিয়ে লিটন দাসের লেপ দোকানে নিয়ে আসে। এসময় তারা মনুকে আটকে রেখে লোহার রড় ও হেমার দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানের এলোপাতাড়ি পিটিয়ে জখম করে। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মনুকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসি। চিকিৎসকরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করার পর মারা যায় মনু।
সুধারাম মডেল থানার ওসি শাহেদ উদ্দিন জানান,। শাহাদাতের বাড়িতে হামলা ও ভাংচুরের বিষয়টি দুঃখ জনক কেউ আইন হাতে তুলে নিতে পারে না। । আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে এনেছি। এই ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Share.

About Author

Leave A Reply